
থাইল্যান্ডের একটি স্কুলে এক শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলায় শিক্ষকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। নিহত দুজনের মধ্যে একজন ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং অন্যজন হামলাকারী শিক্ষার্থী।
শুক্রবার সকালে মধ্য থাইল্যান্ডের ননথাবুরি প্রদেশের বাং কুরাই জেলার একটি সুপরিচিত স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছিল।
ননথাবুরি প্রাদেশিক পুলিশের শীর্ষ নির্বাহী দেচরাপি কংদি সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক গুলিতে আহত হয়েছেন। হামলাকারী শিক্ষার্থীর নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ওই শিক্ষার্থী নবম গ্রেডে পড়ত এবং তার বয়স আনুমানিক ১৪ বছর।
দেচরাপি কংদি জানান, স্কুল ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফাঁকা কক্ষ থেকে ওই শিক্ষার্থী গুলি চালায়। কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ার পর সে নিজেই আত্মহত্যা করে।
গুলি চালানোর ঘটনা শুরু হওয়ার পরপরই শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা স্কুল ভবন থেকে নিরাপদে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
আরেক পুলিশ কর্মকর্তা পাসাকর্ন চাইতাউইয়ং জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তবে কী কারণে ওই শিক্ষার্থী এ ধরনের হামলা চালিয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রাদেশিক পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডেই আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানার হার সবচেয়ে বেশি। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশটির সাধারণ নাগরিকদের কাছে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। অর্থাৎ থাইল্যান্ডে বসবাসকারী প্রতি সাতজনের মধ্যে একজনের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।