
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে আর কখনো বিদেশি চাপ বা দিল্লির দাদাগিরি চলবে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সরকার কে গঠন করবে তা সম্পূর্ণরূপে নির্ধারণ করবে দেশের জনগণ, এবং বিদেশ থেকে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার বড়ঘোপে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থীর সমর্থনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা নতুন করে চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের নীতি নিয়েছে, তারা দেশের “নতুন জালেম” হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই জালেমদের রুখে দেওয়ার দিন আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি, এবং সেই দিন বাংলাদেশের জনগণই নির্ধারণ করবে দেশের ভবিষ্যৎ।
তিনি বলেন, “আমাদের এই নির্বাচনী লড়াই কেবল কক্সবাজার-২ আসনের জন্য নয়। ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোট দেশের প্রতিটি প্রান্তে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করছে। আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি বাংলাদেশকে আধিপত্যবাদ, ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতিবাজ ও লুটের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য।”
জনসভায় জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, দেশের জন্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অপরিহার্য। নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি বা ষড়যন্ত্র হলে জাতি তা রুখে দেবে। তিনি সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ও দৃঢ় ভূমিকা পালন করে জনগণকে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ার আহ্বান জানান।
তাহের বলেন, “গণতন্ত্র ও সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি নতুন, গুণগত বাংলাদেশ গড়ার মাইলফলক হবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন। জাতীয় পরিবর্তন, উন্নয়ন ও দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।”
শেষে উভয় নেতা উপস্থিত জনসাধারণকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।