
বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সাম্প্রতিক উপস্থিতি ঘিরে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মাথা ন্যাড়া অবস্থায় দেখা যাওয়ার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফরের সম্ভাবনা নিয়েও গুঞ্জন উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
সম্প্রতি কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া সুলের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন সালমান খান। সেখানে তার বদলে যাওয়া চেহারা এবং শারীরিক গঠনের কিছু পরিবর্তন অনেকের নজর কাড়ে। বিশেষ করে মাথা ন্যাড়া অবস্থায় উপস্থিত হওয়ায় তার স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু শারীরিক সমস্যার কারণে অভিনেতাকে নিয়মিত স্টেরয়েড সেবন করতে হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, এর প্রভাবে ওজন বৃদ্ধি এবং চুল ঝরে যাওয়ার মতো পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। তবে এসব বিষয়ে এখন পর্যন্ত সালমান খান কিংবা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
বিনোদন অঙ্গনের একাধিক সূত্রের বরাতে আরও জানা গেছে, পরিবারের সদস্যরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অতীতেও বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যার চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে স্বাস্থ্য নিয়ে গুঞ্জন চললেও কাজের ক্ষেত্রে কোনো বিরতি টানেননি সালমান। ৬০ বছরের কাছাকাছি বয়স হলেও তিনি নিয়মিত শরীরচর্চা করে যাচ্ছেন এবং নিজের সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্যগুলো যতটা সম্ভব নিজেই সম্পন্ন করার চেষ্টা করেন।
এদিকে ২০২৬ সালের অক্টোবরে পরিচালক জুটি রাজ ও ডিকের নতুন অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ওই সিনেমার কেন্দ্রীয় ভূমিকায় অভিনয় করবেন সালমান খান। এর আগে তার অভিনীত ‘সিকান্দার’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় পেশিতে ব্যথাজনিত সমস্যার কারণে কয়েক মাস কাজ থেকে বিরত থাকতে হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
তবে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ফলে অভিনেতার স্বাস্থ্য নিয়ে চলমান আলোচনা ও জল্পনা আপাতত গুঞ্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।