
মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট প্রদর্শনের নিয়মে পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে মোটরসাইকেলের সামনের অংশে রেজিস্ট্রেশন নম্বর এক লাইনে লেখার অনুমতি দিতে পারবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। পাশাপাশি মোটরসাইকেলের নকশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন মাপের নম্বরপ্লেট ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষমতাও পেয়েছে সংস্থাটি।
এ বিষয়ে সংশোধিত বিধিমালা অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত বাংলাদেশ গেজেটে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে গত ২৮ অক্টোবর সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখা থেকে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়েছিল। এতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাক্ষর করেন উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ১২২ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর ৩৬ বিধিতে সংশোধনী আনা হয়েছে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের সামনের অংশে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে আগে থেকে চালু থাকা পদ্ধতির পাশাপাশি একটিমাত্র অনুভূমিক লাইনে নম্বর লেখার অনুমতি দিতে পারবে বিআরটিএ।
এ ছাড়া মোটরসাইকেলের গঠন ও নকশা বিবেচনায় সামনের রেজিস্ট্রেশন চিহ্ন বিভিন্ন দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের বিপরীতমুখী প্রতিফলকযুক্ত প্লেটের ওপর প্রদর্শনের অনুমোদন দিতে পারবে কর্তৃপক্ষ।
সংশোধিত বিধিমালায় নম্বরপ্লেটের বিভিন্ন কারিগরি বৈশিষ্ট্য নির্ধারণের দায়িত্বও বিআরটিএকে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সামনের নম্বরপ্লেটের অক্ষরের উচ্চতা, জেলা বা অঞ্চলের নাম বোঝাতে ব্যবহৃত অক্ষরের মাপ, যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশক অক্ষরের উচ্চতা, প্লেটের ওপরের দিকে ফাঁকা স্থানের পরিমাণ, দুটি সংখ্যার মধ্যবর্তী ব্যবধান এবং দ্বিতীয় লাইনে থাকা সংখ্যাগুলোর মধ্যে ব্যবহৃত হাইফেনের দৈর্ঘ্য।
একই লাইনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে জেলা বা অঞ্চলের নাম এবং যানবাহনের শ্রেণি নির্দেশক অক্ষরের পর নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের হাইফেন ব্যবহারের সুযোগও রাখা হয়েছে নতুন নিয়মে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহণ বিধিমালার ৩৬ বিধির উপবিধি (১০) থেকে ‘মোটরসাইকেল এবং’ শব্দ দুটি বাদ দেওয়া হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালা জারির সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে।