
ম্যাকাই টেস্টে বড় রানের ঘাটতি নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমেই বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্কের পরপর দুই বলে দুই উইকেট হারানোর পর আরও একটি উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। ফলে শুরুতেই চাপে পড়ে গেছে টাইগাররা।
প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে ১৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে। প্রথম দুই ওভারে ৫ রান সংগ্রহের পর তৃতীয় ওভারে স্টার্কের তোপে পরপর দুই উইকেট হারায় দলটি।
ওভারের প্রথম বলে সাদমান ইসলামকে পয়েন্টে মার্নাস লাবুশেনের হাতে ক্যাচে পরিণত করেন স্টার্ক। পরের বলেই মুমিনুল হকের অফস্টাম্প উড়িয়ে দেন অজি এই পেসার। এতে ৫ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
এরপর তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা সতর্কতার সঙ্গে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে অষ্টম ওভারের শেষ বলে প্যাট কামিন্সের বলে স্টার্কের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ। ফলে আরও বিপাকে পড়ে সফরকারীরা।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস ২১০ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পথে বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন শরীফুল ইসলাম। বাংলাদেশি পেসার হিসেবে টেস্টে সেরা বোলিংয়ের নজির গড়ে ৪৮ রানে ৭ উইকেট শিকার করেন তিনি।
দ্বিতীয় দিনের খেলা অস্ট্রেলিয়া শুরু করেছিল ৮ উইকেটে ১৬৫ রান নিয়ে। দিনের অষ্টম ওভারে সেট ব্যাটার ক্যামেরন গ্রিনকে ফেরান শরীফুল। প্রথমে এলবিডব্লিউর আবেদন করলেও আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা সাড়া দেননি। পরে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ।
রিভিউয়ে দেখা যায়, শরীফুলের ইনসুইং ইয়র্কার গ্রিনের পায়ের আঙুলে আঘাত করেছে। বলটি ডিপ থার্ডের দিকে গড়িয়ে গেলে অস্ট্রেলিয়া একটি লেগ বাই রান নেয়। শেষ পর্যন্ত রিভিউয়ে সফল হয় বাংলাদেশ। ১০৫ বলে ১০টি চারসহ ৬৭ রান করে আউট হন গ্রিন।
এরপর নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজেলউডের ২৪ রানের জুটি ভাঙার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ২১০ রানে থামিয়ে দেয় বাংলাদেশ। লায়ন ৬২ বলে চারটি চার ও একটি ছক্কায় ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে হ্যাজেলউডকে ৬ রানে সাদমান ইসলামের ক্যাচ বানান তাইজুল ইসলাম।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, দ্বিতীয় ইনিংসে ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৯ রান। ক্রিজে রয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম।