
মিচেল স্টার্কের তাণ্ডবে ৬৪ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর বল হাতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় সেশনের শেষদিকে স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের দৃঢ় জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আবার অস্ট্রেলিয়ার দিকে ঠেলে দিয়েছে। চা বিরতির আগে স্বাগতিকরা ৩ উইকেটে ৫০ রান করে, পরে দলীয় সংগ্রহ একশ ছাড়িয়ে যায়।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শুরুতে বাংলাদেশি বোলাররা বেশ চাপ তৈরি করেছিলেন। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে তাসকিন আহমেদের বলে স্লিপে তানজিদ হাসান তামিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ম্যাট রেনশ। জেক ওয়েদারাল্ডের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া এই অস্ট্রেলীয় ওপেনার করেন ৮ রান। ২২ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
এরপর অষ্টম ওভারে আক্রমণে এসে দ্রুত দুটি উইকেট তুলে নেন শরিফুল ইসলাম। ওভারের দ্বিতীয় বলেই ইনসাইড এজে বোল্ড করে ট্র্যাভিস হেডকে ফেরান তিনি। ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন অজি ওপেনার।
মাত্র চার বল পর আবারও সাফল্য পান শরিফুল। এবার তার শিকার মার্নাস লাবুশেন। মাত্র ৯ বলে ৪ রান করে বোল্ড হন এই ব্যাটার। ফলে ৪১ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
তবে এরপর পরিস্থিতি বদলে দেন স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন। দুজনের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটি অস্ট্রেলিয়াকে বিপদ থেকে বের করে আনে। তাদের ব্যাটে ভর করে দলীয় রান একশ ছাড়িয়ে যায় এবং স্বস্তিতে ফিরে স্বাগতিকরা।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামে মাত্র ৬৪ রানে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শরিফুল ইসলাম। ব্যাট হাতে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার পর বল হাতেও প্রথম ওভারেই সাফল্য পান তিনি।