
রাজধানীর পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি—বিদেশি রিভলবার ও গুলিসহ অভিযানে দুই সন্দেহভাজন শুটারকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) র্যাব-৪ এর মিডিয়া কর্মকর্তা কে এন রায় নিয়তি গণমাধ্যমে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বার্তায় জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃত দুজন কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া শুটার এবং তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিস্তারিত জানাতে শুক্রবার সকাল ১১টায় র্যাব-৪ সদর দপ্তরে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ নভেম্বর (৪৭) বছর বয়সী গোলাম কিবরিয়া খুন হন। মিরপুর-১২ নম্বরের বি ব্লকে অবস্থিত ‘বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি’ নামের একটি দোকানে ঢুকে মুখোশধারী তিন সন্ত্রাসী তাকে গুলি করে হত্যা করে।
ঘটনার পর কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দিনা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়—মো. জনি ভূঁইয়া (২৫), সোহেল ওরফে পাতা সোহেল ওরফে মনির হোসেন (৩০), সোহাগ ওরফে কাল্লু (২৭), মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম (২৮) ও রোকন (৩০)। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও সাত থেকে আটজনকে আসামি করা হয়।
কিবরিয়া পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব ছিলেন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের ধারণা, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, পাতা সোহেল ও মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে নির্দেশনা দেন। তাদের নির্দেশে জনি ভূঁইয়া, সোহাগ ওরফে কাল্লু এবং রোকন দোকানে ঢুকে হঠাৎ গুলি চালায় এবং ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।