
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এবং স্ট্রোক রোগীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মঙ্গলবার রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল-এর সমাজসেবা কার্যালয়ের রোগী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত স্ট্রোকে প্যারালাইজড রোগীদের সরকারি আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরের বাজেটে দুঃস্থ, অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষার জন্য আগের তুলনায় দ্বিগুণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ভাতার পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে স্ট্রোকসহ দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত অসহায় মানুষের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। স্ট্রোক রোগীদের পাশে দাঁড়ানো সরকারের মানবিক অঙ্গীকারের অংশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ৪০০ জন স্ট্রোক রোগীর মধ্য থেকে বাছাইকৃত ১০০ জনকে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে সরকারি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এ সময় মন্ত্রী রোগীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, দরিদ্র রোগীদের সুচিকিৎসা ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব। তিনি বলেন, দেশের কোনো অসহায় মানুষ যেন চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল-এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি-র ভাইস-চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. রফিকুল বাসার লেবু।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এই অনুদান রোগীদের ওষুধ, ফিজিওথেরাপি, পুনর্বাসন এবং দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে সহায়ক হবে। রোগী কল্যাণ সমিতি ভবিষ্যতে এ কর্মসূচির পরিধি আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।