
তুচ্ছ বিষয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে ওবায়দুল্লাহকে হত্যার পর লাশ গুম করার জন্য সাত টুকরো করেন রুমমেট শাহীন। এ ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মতিঝিলের ডিসি হারুন-অর-রশীদ।
তিনি জানান, গত শুক্রবার রাতে ওবায়দুল্লাহকে হত্যার ঘটনা ঘটে। সাতটি অংশে খণ্ডিত করা হয়েছিল তার মরদেহ। হত্যার কাজে ব্যবহৃত চাপাতি ও নিহত ব্যক্তির মোবাইল ফোন জব্দ করেছে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডের কারণ জানাতে গিয়ে ডিসি হারুন-অর-রশীদ বলেন, “নিহত ওবায়দুল্লাহর রুমমেট শাহীন। রাজধানীর জসিমউদদীন রোডের একটি মেসে একত্রে থাকতো তারা। শাহীন হিরাঝিল হোটেল কর্মচারী। আর ওবায়দুল্লাহ হোমিও দোকানের কর্মচারী।”
“ঘটনার দিনের রাতে ওবায়দুল্লাহ রুমে জোরে কথা বলছিল। পরে তাকে আস্তে কথা বলতে বলেন শাহীন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি হয়। তর্ক বিতর্কের একপর্যায়ে রাগে-ক্ষোভে ওবায়দুল্লাহকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন শাহীন।”
ডিসি হারুন-অর-রশীদ বলেন, “পরবর্তীতে ধরা পড়ার ভয়ে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে সাতটি খণ্ড করে পলিথিনে করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। শাহীনকে তার হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।”
ওবায়দুল্লাহর গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায়। ইতোমধ্যে পুলিশ মরদেহের ছয় খণ্ড রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করেছে।