
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’-এর প্রথম ধাপের হামলায় এক মিনিটের মধ্যে ৪০ জন ইরানি শীর্ষ সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন।
রোববার (১ মার্চ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, এই হামলা ইরানের নেতৃত্বের হুমকির জবাবে ‘পূর্বপ্রস্তুতিমূলক আঘাত’ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে। অভিযানের শুরুতেই তেহরানের বিভিন্ন স্থানে সমন্বিত বিমান হামলা চালানো হয়। আইডিএফের দাবি, ওই সময়ে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা নেতৃত্বের সাতজন একই স্থানে উপস্থিত ছিলেন।
আইডিএফ আরও জানিয়েছে, হামলাটি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক প্রধান মেজর জেনারেল আব্দুলরহিম মোসাভি রয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ আগে থেকেই জানতে পেরেছিল যে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা শনিবার সকালে তেহরানের একটি সরকারি কমপাউন্ডে বৈঠকে বসবেন। পরে সেই তথ্য ইসরায়েলের কাছে সরবরাহ করা হয়।
মার্কিন তথ্য পাওয়ার পর ইসরায়েল হামলার সময়সূচি পরিবর্তন করে দিনের আলোতেই আঘাত হানলে, এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ডজনখানেক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান খামেনির কমপাউন্ডে ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করে, যা পুরো এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে।
আইডিএফ জানিয়েছে, অভিযান শুরু হয় ইসরায়েল সময় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টায়। তেহরান সময় অনুযায়ী, সকাল প্রায় ৯টা ৪০ মিনিটে, জঙ্গিবিমান উড্ডয়নের দুই ঘণ্টা পাঁচ মিনিট পর কমপাউন্ডে বোমা নিক্ষেপ করা হয়।