
ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের কমান্ডার ইসমাইল ঘানি বলেছেন, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ-র সঙ্গে সংঘাতে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে ইসরাইলের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, হিজবুল্লাহর সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করার ফলেই ইসরাইল বিভিন্ন সময় ক্ষতির মুখে পড়েছে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, আঞ্চলিক সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা নতুন সংকট সৃষ্টি করতে পারে।
ঘানি তার বক্তব্যে ‘মিরাসাদ’-এর উল্লেখ করেন। এটি হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত একটি ছোট আকারের গোয়েন্দা ড্রোন হিসেবে পরিচিত। একই সঙ্গে ‘মিরাসাদ’ ১৯৮৮ সালে ইরানের একটি সামরিক অভিযানের নামও, যেখানে ইরানি বাহিনী সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীর একটি অভিযান প্রতিহত করেছিল।
ইসরাইলি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এক ড্রোন হামলায় একটি ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে একজন সেনা নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। পৃথক আরেক ঘটনায় রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বিস্ফোরকের আঘাতে আরও কয়েকজন সেনা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইল-এর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় সীমান্ত অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এদিকে হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নাঈম কাসেম সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেন, তাদের সংগঠন প্রতিরোধের নীতিতে অটল রয়েছে এবং যেকোনো আক্রমণের জবাব দিতে প্রস্তুত।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি সংযম প্রদর্শন এবং সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানানো হচ্ছে।