
আসন্ন ঈদুল আজহায় ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত এবং ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা নির্বিঘ্ন করতে রাজধানী ঢাকা ও এর আশেপাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পর্যাপ্ত সংখ্যক বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিজিবি সদর দফতর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
যেসব এলাকায় থাকবে বিজিবি
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপন উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে রাজধানীর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও জনাকীর্ণ এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
নিউমার্কেট
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
সাভারের নবীনগর ও বাইপাইল
গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকা
এছাড়াও, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা, মহাসড়ক এবং তীব্র যানজটপ্রবণ এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের পরিচালিত মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করবে বিজিবি। ঈদের আগের ৭ দিন এবং ঈদের পরবর্তী ৩ দিন পর্যন্ত (মোট ১০ দিন) বিজিবি সদস্যরা এই বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।
টানা ৭ দিনের ছুটি, তবে জরুরি সেবা সচল
উল্লেখ্য, আগামী ২৮ মে দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে। এই উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি সকল অফিসের জন্য টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে ছুটির আগে আগামী ২৩ মে (শনিবার) ও ২৪ মে (রোববার) সরকারি অফিস যথারীতি খোলা থাকবে। গত ১৪ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
সাধারণ ছুটি ঘোষিত হলেও জনস্বার্থে জরুরি সেবাগুলো এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। জরুরি সেবাসমূহের মধ্যে রয়েছে:
বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহ।
ফায়ার সার্ভিস ও বন্দরসমূহের কার্যক্রম।
টেলিফোন, ইন্টারনেট ও ডাক সেবা।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং এই কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীবৃন্দ।
চিকিৎসাসেবা, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহন।
ব্যাংক ও আদালতের নির্দেশনা:
ছুটির সময়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। একইভাবে, উচ্চ ও নিম্ন আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। এছাড়া বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং কল-কারখানার ছুটির বিষয়ে ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।