
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের সবগুলোতেই বিএনপির প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ওই নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনে আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান নির্বাচিত হন।
নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-1 (রামগঞ্জ) আসনে শাহাদাত হোসেন সেলিম (ধানের শীষ) ৮৬ হাজার ৮১১ ভোট পেয়েছেন। ৫৯ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হন মাহবুব আলম। তিনি জামায়াত জোটের প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর সদর আংশিক) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৯৮ ভোট পান। খায়ের ভূঁইয়া জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি এবং সাবেক দুইবারের এমপি ছিলেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬১২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮০২ ভোট। এ্যানি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা কমিটির আহ্বায়ক ছাড়াও দুইবারের সাবেক এমপি। আর রেজাউল ঢাকা মহানগর (উত্তর) জামায়াতের সেক্রেটারি।
লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আশরাফ উদ্দিন নিজান। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আশরাফুর রহমান হাফিজ উল্যা পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৫৬ ভোট।