
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় একটি পোল্ট্রি খামারে মোটর চুরির অভিযোগের জেরে শাকির হোসেন (৪০) নামের যুবদল কর্মীকে মারধর করা হলে তার মৃত্যু ঘটে। ঘটনার স্থান উপজেলার দোয়াটি গ্রামের বিকাশ চন্দ্র সরকারের খামারের সামনে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার বিকেলে কচুয়া থানায় এ ঘটনায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
নিহত শাকির হোসেন দোয়াটি গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে এবং ৪ নম্বর পালাখাল মডেল ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন। এজাহারে বিকাশ চন্দ্র সরকার ও সোহরাব মিয়াসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং ১২–১৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের মা সাহেরা বেগম ও মেয়ে তামান্না আক্তার জানান, শাকির হোসেন শুক্রবার দুপুর ১২টায় দলীয় একটি প্রোগামে অংশ নিতে বাড়ি থেকে বের হন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা বলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রতিবেশী এক যুবকের ফোনে তারা জানতে পারেন শাকিরকে মারধর করা হয়েছে। পুলিশের সহায়তায় কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার অভিযোগ করেন, “স্বামী আমাদের মাছের প্রজেক্ট দেখার জন্য যাচ্ছিলেন। পথে বিকাশ চন্দ্র সরকার পূর্বপরিকল্পিতভাবে মোটর চুরির অভিযোগ তুলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মারধর করেন। আমার স্বামী মোটর চুরি করেননি। আমি তার মৃত্যুর জন্য বিকাশ চন্দ্রকে দায়ী করি এবং হত্যার ন্যায় বিচার চাই।”
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন জানান, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া নিহতের স্ত্রী লিখিত এজাহার দিয়েছেন। “তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে,” তিনি জানান।