
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় কৃষকদের জৈব সারের পরিবর্তে ময়লা-আবর্জনামিশ্রিত মাটি বিতরণের অভিযোগের পর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মণকে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে তদন্তও শুরু হয়েছে।
রবিবার (২৯ জুন) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশে জনস্বার্থে এ বদলির কথা উল্লেখ করে আগামী মঙ্গলবার (১ জুলাই) এর মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে বুধবার (২ জুলাই) থেকে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে বলেও আদেশে বলা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৪ জুন) প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কামারখন্দ উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষকদের মধ্যে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণের পাশাপাশি প্রতিটি চারার সঙ্গে ৩০ কেজি করে জৈব সার দেওয়ার কথা ছিল। তবে কৃষকদের অভিযোগ, সারের বস্তা খুলে তারা গোবরের পরিবর্তে ময়লা-আবর্জনা ও বিভিন্ন বর্জ্য মিশ্রিত মাটি পান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অনেক কৃষক সার না নিয়েই শুধু গাছের চারা নিয়ে ফিরে যান।
ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে জেলা প্রশাসন বুধবার (২৫ জুন) তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।