
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ক্যাসিনো খেলা ও মাদক সেবনের অভিযোগে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সম্পাদকসহ ১৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের মধ্যে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৯ জনকে জরিমানা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের ছিলাখানা বাজার ও কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটক ব্যক্তিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের হবিবর মিয়ার ছেলে এরশাদুল মিয়া (৩৮), রামখানা আশকরনগর হাজীটারীর শফিকুল ইসলামের ছেলে আতাউর জামান (২৭), নাখারগঞ্জ বাজার বিডিআর মোড়ের আব্দুল হামিদের ছেলে সুজন রানা (২৮), রায়গঞ্জ রতনপুরের মেছের আলীর ছেলে এরশাদুল হক (২৮), রায়গঞ্জ সাপখাওয়া মাস্টারের মোড় এলাকার হাফিজার আলীর ছেলে জাঙ্গীর আলম (৩৯), পূর্ব রামখানা মাদারের কুড়া এলাকার মহসীন আলীর ছেলে লাবু মিয়া (২৮), পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়ী উপজেলার মধ্য কাশিপুরের আব্দুল বারির ছেলে রবিউল ইসলাম (৩৭) এবং কাশীপুর অনন্তপুর ঘুগুর হাটের জয়নাল আবেদীনের ছেলে আব্বাস আলী (৩১)কে তিন দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সন্তোষপুর ছিলাখানার জমসেদ আলীর ছেলে আশরাফুল আলম (৪৮)কে ১৫ দিনের এবং পৌরসভার বানিয়াপাড়ার রুহুল আমীনের ছেলে রিয়াদ বাবু (২৫)কে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে সন্তোষপুর ছিলাখানার একরামুল হকের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (৩০), রায়গঞ্জ রতনপুরের হুজুর আলীর ছেলে আবু সাঈদ (২৮), কাশীপুর গংগারহাট আজোয়াটারীর জামাল উদ্দিনের ছেলে আশরাফুল আলম, পৌরসভার সাতানীপাড়ার রফিকুল ইসলামের ছেলে লেবু ইসলাম লিমন (২০), রামখানা আস্করনগরের আলতাফ হোসেনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৮), রামখানা ইউনিয়ন ছাত্রদল সম্পাদক দক্ষিণ রামখানার আজাদ আলীর ছেলে মতিয়ার রহমান বাবু (৩০), দক্ষিণ রামখানার আজিজার রহমানের ছেলে তারেক আজিজ (২৭), পৌরসভার বানিয়াপাড়ার খোকন মিয়ার ছেলে রাসেল (২৫) এবং বগুড়া শাহজাহানপুরের সাজাপুর এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে আরাফাত হোসেন (২১)—প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হক প্রধান বলেন, দণ্ডিত ব্যক্তিদের শনিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ইউএনও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, শুক্রবার রাতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের দণ্ড দেওয়া হয়।