
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি আসাদুল হকের মরদেহ ঘটনার প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে পীরগঞ্জের দানাজপুর সীমান্তে মরদেহটি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় পীরগঞ্জ থানা পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি ভারতের রায়গঞ্জ থানা পুলিশের সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন।
গুলিতে নিহত আসাদুল ছাড়াও আটক আরও দুই বাংলাদেশি
এর আগে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তের ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের গুলিতে আসাদুল হক (৩৮) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হন।
এ ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশি যুবক—মোস্তাকিম (৩২) ও শ্রী উদা রায় (৩৪)—কে আটক করেছে বিএসএফ।
গত শনিবার ভোরে পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দেরহাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ৩৩৩ নম্বর মেইন পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আসাদুল হক পীরগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রইল গ্রামের আব্দুল ওয়াজেদ আলীর ছেলে। আটক মোস্তাকিম একই এলাকার ওয়াহেদ আলীর সন্তান। আর শ্রী উদা রায় মুনষা নারায়ণের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সীমান্ত পিলার ৩৩৩ এমপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ৬৩ চকশিবানন্দ বিএসএফ ক্যাম্পের একটি টহলদল গুলি চালায়। এতে আসাদুল হকসহ তিন বাংলাদেশি গুরুতর আহত হন।
পরে বিএসএফ সদস্যরা আহত তিনজনকে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসাদুল হকের মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর তার মরদেহ ভারতের হেফাজতে ছিল। প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর রোববার রাতে দানাজপুর সীমান্তে সেটি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।