
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়া এবং যুদ্ধবিরতির অগ্রগতির ইঙ্গিতের পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে আবারও পতন দেখা দিয়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বাধা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়ে, যার প্রভাব পড়ে জ্বালানি তেলের দামে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ১.১৪ ডলার বা ১.২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৬.৬৭ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৯০ সেন্ট বা ০.৯ শতাংশ কমে ৯৫.১২ ডলারে দাঁড়ায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং ইরানকে ঘিরে বৃহত্তর সংঘাতের ঝুঁকি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা তেলের বাজারে স্বস্তি ফিরিয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালু হওয়ার প্রত্যাশাও সরবরাহ শঙ্কা অনেকটা কমিয়ে দিয়েছে।
তবে এর আগের দিনই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল। কুয়েতে ইরানের হামলা এবং হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন সামরিক তৎপরতার পর বাজারে সাময়িকভাবে সরবরাহ বিঘ্নের শঙ্কা তৈরি হয়, যা দাম বৃদ্ধির কারণ হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় সেই বৃদ্ধি আবার উল্টে পতনের দিকে যায়।