
ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় নতুন ধাপে প্রবেশ করেছে সরকার। পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কাছে এবার এক্সিম ব্যাংকের ব্যবসায়িক ও পরিচালনাগত দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে এক্সিম, ফার্স্ট সিকিউরিটি, এসআইবিএল, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে গঠন করা হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। একীভূত হওয়ার আগে এসব ব্যাংকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যারা কার্যত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
গত জুন মাসে সরকার সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজি শায়রুল হাসানকে নিয়োগ দেয়। একই সময়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব পান মো. আবেদুর রহমান শিকদার।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক্সিম ব্যাংকের প্রশাসক মো. শওকাতুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংকটির ব্যবসায়িক ও অপারেশনাল দায়িত্ব সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডির কাছে হস্তান্তর করেন।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এক্সিম ব্যাংকসহ একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিলের পর প্রশাসকদের দায়িত্ব প্রত্যাহার করা হবে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে এক্সিম ব্যাংকের মতো বাকি চারটি ব্যাংকের দায়-সম্পদও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন পদক্ষেপ স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের কোনো ভিত্তি নেই।
অন্যদিকে, একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য নতুন সুবিধাও আসছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা, শিক্ষা এবং আমানতকারীর হজ পালনের প্রয়োজন হলে হিসাবধারীরা যে কোনো পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। এ বিষয়ে শিগগিরই সংশোধিত একটি স্কিম ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।