
দেশে বড় আকারে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, কার্যকর সংস্কার ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে আগামী দিনে বাংলাদেশের ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথ আরও সুগম হবে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামকে শুধু লজিস্টিকস হাব হিসেবে নয়, বরং দেশের উন্নয়নের অগ্রপথিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে বড় পরিকল্পনা রয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) চট্টগ্রাম বন্দর ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। এ বিষয়ে এডিবির সঙ্গে বৈঠক করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, ব্যবসার খরচ কমানো এবং সরবরাহব্যবস্থা কার্যকর করা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম আরও সমন্বিত হলে পণ্য খালাস ও রপ্তানিতে সময় কমবে, ব্যবসায়িক ব্যয় কমবে এবং বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থা বাড়বে।
বন্দর ও কাস্টমসকে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তাঁর আশা, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং মূল্যস্ফীতিও কমে আসবে।
চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বন্দর দেশি বা বিদেশি—যেই পরিচালনা করুক না কেন, তাদের সর্বাগ্রে জনগণ, ব্যবসা, শিল্প ও বাংলাদেশের অর্থনীতির স্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে।
শিল্পকারখানাগুলো যাতে নির্বিঘ্নে পরিচালিত হতে পারে, ব্যবসায়িক ব্যয় কমে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা বাড়ে—এ লক্ষ্যেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।