
ইরানের হামলায় তেল আবিব ও আশপাশের এলাকা কেঁপে উঠেছে, একাধিক স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।
ইসরায়েলি ব্রডকাস্টিং অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, বৃহত্তর তেল আবিব অঞ্চলের অন্তত ১১টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে ভবন, সড়ক এবং বিভিন্ন যানবাহনে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ আপডেটে এসব তথ্য উঠে আসে। একইসঙ্গে জানানো হয়, ইসরায়েলের জরুরি চিকিৎসা সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড অ্যাডমের তথ্যে, এই হামলায় তেল আবিবে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
সংস্থাটি এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, ঘটনাস্থলে প্রায় ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের অন্য একটি এলাকায় আহত দুইজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের আঘাত তুলনামূলকভাবে হালকা।
অন্যদিকে, ইরানের বিভিন্ন পরমাণু স্থাপনায় হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা করে এর জন্য বড় ধরনের মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
আরাগচি বলেন, ‘ইসরায়েল দাবি করছে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে হামলা চালিয়েছে। ইরানে হামলার বিষয়ে ট্রাম্প যে সময়সীমা বাড়িয়েছেন, তার সঙ্গে ইসরায়েলের এই হামলা বিরোধপূর্ণ। এই অপরাধের জন্য ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে।’
বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে একটি ইউরেনিয়াম উৎপাদনকেন্দ্র, একটি ভারী পানির চুল্লি এবং ইসফাহানে অবস্থিত দুটি ইস্পাত কারখানা রয়েছে।