
যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই জর্ডানের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। তবে জর্ডান দাবি করেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে সব ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশেই ধ্বংস করেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোরে সংঘটিত এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পর ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) জানায়, হামলার লক্ষ্য ছিল জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধবিমান।
জর্ডানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, ‘‘বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ইরান থেকে জর্ডানের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ছোড়া পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে আমাদের নির্ধারিত প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা অনুযায়ী সব ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশে ধ্বংস করা হয়েছে।’’
এদিকে এক বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করেছে, ‘‘যুক্তরাষ্ট্র আপনার দেশের (জর্ডান) দখলকৃত সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে কেশম দ্বীপে দুটি সাধারণ বসতবাড়িতে বাঙ্কার-বাস্টার বোমা ফেলে বিমান হামলা চালিয়েছে। মার্কিন ওই বিমান হামলায় এক দম্পতি ও তাদের এক সন্তান নিহত এবং আরও দুই শিশু গুরুতর আহত হয়েছে।’’
কয়েক দিনের বিরতির পর বুধবার রাতে আবারও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলা শুরু হয়। জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর আগের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় ‘ভারী’ বিমান হামলা চালানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে আলোচনার পরিবেশ তৈরির উদ্দেশ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর ছিল। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে।