
ইরানের সঙ্গে কোনো সংঘাত দীর্ঘদিন ধরে চললেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার গতি ও তীব্রতা ধরে রাখার মতো সক্ষমতা দেশটির রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মহাকাশ বাহিনীর কমান্ডারের একজন উপদেষ্টা।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি বেলালি বলেন, বর্তমানে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অত্যন্ত পরিকল্পিত ও শক্তিশালীভাবে বিভিন্ন সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে। এর অন্যতম লক্ষ্য হলো শত্রুপক্ষকে এমন বার্তা দেওয়া যে, কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই ইরানে হামলা চালিয়ে নির্বিঘ্নে ফিরে যাওয়ার সময় শেষ হয়ে গেছে।
ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ছিল ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্র সংকট
অতীতের পরিস্থিতির সঙ্গে বর্তমান সামরিক সক্ষমতার পার্থক্য তুলে ধরে বেলালি বলেন, ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ছিল খুবই সীমিত। তখন প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের দামও ছিল অনেক বেশি। ফলে যুদ্ধের ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছিল এবং প্রয়োজনের সময়ও হিসাব করে একটি একটি করে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হতো।
তবে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, নানা নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের মধ্যেও ইরান নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরনের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে।
সীমিত হামলার জবাবে বড় পাল্টা আঘাতের দাবি
বেলালির দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে শত্রুপক্ষ তুলনামূলকভাবে সীমিত কিছু হামলা চালালেও ইরান তার জবাব দিয়েছে আরও শক্তিশালী ও ব্যাপকভাবে। তার মতে, দেশের সামরিক সক্ষমতা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী।
তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে হামলা চালিয়ে দ্রুত সরে যাওয়ার সুযোগ শত্রুপক্ষের জন্য আর আগের মতো নেই। এমনকি সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলেও ইরান একই শক্তি ও প্রস্তুতি নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে সক্ষম বলে তিনি দাবি করেন।
তথ্য সূত্র: ফার্স নিউজ