
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রক্রিয়াকে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে বাংলাদেশের অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এ লক্ষ্যে সক্রিয় উদ্যোগ নিতে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সার্ক মহাসচিব মো. গোলাম সারওয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এ আশ্বাস দেওয়া হয় বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্ক সনদে অন্তর্ভুক্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম সমতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতার নীতিমালার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি প্রথম উত্থাপন করে বাংলাদেশ। ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যার লক্ষ্য ছিল জনগণের কল্যাণ সাধন, জীবনমান উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সমষ্টিগত আত্মনির্ভরশীলতা জোরদার করা।
সার্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৩ ও ২০০৫ সালেও বাংলাদেশ এ সম্মেলনের আয়োজন করে। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক অভিন্ন মূল্যবোধ জোরদার এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, দারিদ্র্য বিমোচন, বিদ্যুৎ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সার্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সমন্বয় বৃদ্ধি পাবে, যা টেকসই উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথ সুগম করবে।
বাসস