
নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-এ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এখানে একত্রিত হয়েছি। কিছুদিন আগে দেশে নির্বাচন হয়েছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। যে গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশের মানুষ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অকাতরে জীবন দিয়েছে, অত্যাচার-নির্যাতন, গুম-খুনের শিকার হয়েছে—সেই ত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ গণতন্ত্রের এই সূচনার সুযোগ পেয়েছি।”
তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাকে এবং তার সফরসঙ্গীদের ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।
সরকারপ্রধান বলেন, অনুষ্ঠানে শুধু তিনি বা জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরাই নন, বরং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের সম্মানিত ব্যক্তিরাও উপস্থিত আছেন।
তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ অনেক প্রত্যাশা ও আশা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে। আসুন, আমরা আল্লাহর নামে শপথ করি—আগামী দিনের কাজ হবে এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য।”
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার তৌফিক কামনায় আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষে প্রধানমন্ত্রী আবারও জামায়াতে ইসলামী ও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান-সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
