
আগামী পাঁচ দিনে দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, যেখানে কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াও প্রবাহিত হবে। পশ্চিমবঙ্গ ও এর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের বর্ধিতাংশের প্রভাবে এই আবহাওয়ার অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে প্রথম দিনে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের দুই-এক স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি বা বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
শনিবার দ্বিতীয় দিনে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের দুই-এক স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার সঙ্গে সঙ্গে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
রোববার তৃতীয় দিনে রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেটের কিছু জায়গায় এবং রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রামের দুই-এক স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
সোমবার চতুর্থ ও মঙ্গলবার পঞ্চম দিনে দেশের সব বিভাগের দুই-এক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি বা বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টির ঘটনা ঘটতে পারে। চতুর্থ দিনে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে পঞ্চম দিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সামনের পাঁচ দিনের আবহাওয়ার প্রেক্ষিতে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
আজ সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫৭ শতাংশ। একই সময়ে ঢাকায় পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল, যা কখনও দমকা আকারে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। আগামীকাল ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৯ মিনিটে।