
তুরস্কে বাংলাদেশের পাটপণ্যের ব্যাপক চাহিদা ও কদর রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বিকাশমান এবং দেশটিতে দক্ষ মানবসম্পদের প্রাচুর্য রয়েছে, যা তুর্কি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠককালে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
রাষ্ট্রদূত রামিস সেন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে পাটপণ্য, তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল ও কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে উভয় দেশই লাভবান হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব। তিনি বিশেষ করে চামড়াজাত ও পাটজাত পণ্যে তুর্কি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে উৎপাদন ব্যয় তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় তুর্কি উদ্যোক্তারা এখানে বিনিয়োগ করলে সহজেই লাভবান হতে পারবেন। তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, কৃষিপণ্য ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে একমত হন। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আবদুর রহিম খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।