
জাতীয় সংসদকে ব্যর্থতার দিকে যেতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একটাই।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংসদে আমার আগে বিরোধীদল নেতা বক্তব্য রেখেছেন, উনার পরে আমি বক্তব্য রাখছি। উনি যেই কথাগুলো বলেছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে আমি কথাগুলো বলছি। নিশ্চয়ই সবাই বুঝতে পারছেন; আমাদের লক্ষ্য এক। আমাদের উদ্দেশ্য, গন্তব্য এক। লক্ষ্য কী? লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ। উদ্দেশ্য কী? উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ। গন্তব্য কী? একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, আজকে জুলাই সনদ নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, আমি সেই ডিবেটেই যাবো না। কারণ, একটু আগেই আমি বলেছি, আমাদেরও লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, গন্তব্য হচ্ছে- এই দেশ, দেশের জনগণ এবং আত্মনির্ভরশীল সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, সংসদে দীর্ঘ দেড় মাসের আলোচনায় বহু গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়েছে। কিছু বিষয়ে একমত হওয়া গেলেও কিছু বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।
তারেক রহমান জানান, যেসব বিষয়ে মতপার্থক্য আছে, সেগুলো নিয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা হবে। দেশের স্বার্থে ঐকমত্যে পৌঁছানোই লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতে বিরোধীদলীয় নেতার ইফতার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়ে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। সেখানেই ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যা তখন গৃহীত হয়নি। তবে তিনি জানান, সেই প্রস্তাব এখনো উন্মুক্ত রয়েছে এবং প্রয়োজনে তা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে নেওয়াই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার শক্তি।