
বর্তমানে দেশে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুতের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেলের মজুত এক মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাসে উন্নীত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বর্তমানে দেশে দেড় মাসের তেল মজুত রয়েছে। এটি দ্রুত তিন মাসে এবং পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে ছয় মাসে উন্নীত করা হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।
জোনায়েদ সাকি বলেন, সম্প্রতি মহেশখালীর ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে সারাদেশে গ্যাস সরবরাহে কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। তবে এরই মধ্যে সেই সমস্যা সমাধান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে চাহিদার তুলনায় গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ পর্যাপ্ত নয়। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকার স্থানীয়ভাবে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার সমন্বিতভাবেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটকে সাময়িক উল্লেখ করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। জরুরি চাহিদা পূরণে বিদেশ থেকে নিয়মিত গ্যাস আমদানি করা হচ্ছে।
তবে শুধু গ্যাস আমদানি করলেই সংকট পুরোপুরি দূর হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর জন্য প্রয়োজনীয় এলএনজি স্টেশন স্থাপন করতে হবে। নতুন এলএনজি স্টেশন স্থাপনে কিছুটা সময় লাগবে জানিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেন, শিগগিরই দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।