
বিদ্যমান ও নতুন ধরনের আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জনগণের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বাড়ানো, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
রোববার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে ১৫তম জাতিসংঘ অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচার কংগ্রেসের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (ADNEC) এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বক্তব্যে আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থাকে আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বাংলাদেশের চলমান বিচারিক সংস্কার কার্যক্রমের বিষয়টিও তুলে ধরেন। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে শক্তিশালী পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, আবুধাবি ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এ সংস্কারের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার কার্যকর ব্যবহার আরও জোরদার ও সম্প্রসারণ, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি এবং মামলাজট কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে জনগণের জন্য সময়োপযোগী ও ন্যায়সংগত বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেও বাংলাদেশ কাজ করবে বলে জানান তিনি।
ভিয়েনাভিত্তিক জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (UNODC) পাঁচ বছর পরপর এই আন্তর্জাতিক কংগ্রেসের আয়োজন করে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ছাড়াও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা রয়েছেন।