আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে দেশজুড়ে বছরব্যাপী পরিবার পরিকল্পনা ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। ২০২৬ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ কর্মসূচি। মাঠপর্যায়ে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি পরিবারগুলোর কাছে সরাসরি জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
এক বছর ধরে চলবে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৭ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে পরিবার পরিকল্পনা ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন উপকরণ পৌঁছে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেওয়া হবে।
ঢাকার বাইরেও ক্যান্সার চিকিৎসার সুযোগ
স্বাস্থ্য খাতের আরেকটি উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, নতুন ১৭টি রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ছয়টি ঢাকায় এবং বাকি ১১টি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থাপন করা হবে।
এর ফলে ঢাকার বাইরে থাকা ক্যান্সার রোগীরা নিজ নিজ এলাকায় তুলনামূলক কম খরচে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রোগীদের অতিরিক্ত চাপও কমবে বলে জানান তিনি।
ডেঙ্গু চিকিৎসায় আন্তর্জাতিক নির্দেশনা, সতর্ক থাকার পরামর্শ
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ করেই ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় স্যালাইনের সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
ডেঙ্গুর ধরন পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে চিকিৎসকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার পর হৃদ্যন্ত্রসংক্রান্ত জটিলতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাও বিবেচনায় রাখার জন্য চিকিৎসকদের সতর্ক করা হয়েছে।
মশার বিস্তার নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।