
এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের সাম্প্রতিক মন্তব্য শুধু অনাকাঙ্ক্ষিতই নয়, তা রাজনৈতিক শালীনতারও পরিপন্থী।
শনিবার (২৫ জুলাই) এক সাক্ষাৎকারে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপির সংগ্রামী মহাসচিবকে নিয়ে যে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছে এটা অনাকাঙ্ক্ষিত। এই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আসলে নেশা করতে করতে এখন তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে। বাংলাদেশে ক্লিন ইমেজের রাজনৈতিক নেতৃত্ব যারা দেয় তার মধ্যে অন্যতম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সেই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী জামানায় তিনি কিন্তু আওয়ামী লীগের কাছে মাথা নত করে নাই।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, গণঅভ্যুত্থানের সময় নাসীরুদ্দীন নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন না এবং আন্দোলনের মূল সমন্বয়কদের তালিকাতেও তার নাম ছিল না।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গণঅভ্যুত্থানের সময় তো নেতৃত্বের জায়গায় ছিল না। নাহিদ ইসলামের সাথে ছিলো। হাজারো আন্দোলনকারী নাহিদ ইসলামদের আহ্বানে নেমেছিল, তার একজন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সে তো গণঅভ্যুত্থানের সময় নেতা ছিলো না। তার নাম তো কোনো সমন্বয়কের তালিকায়ও ছিল না। ওই সময় মূলত সে ভয়ে সমন্বয়কের তালিকায় তার নাম লেখায়নি। আজকে সে বিশাল বিপ্লবী। এখন এই মুক্ত দুনিয়ায় বিপ্লবী হওয়া, আর আওয়ামী লীগের সময় বিপ্লবী হওয়া এক না।’
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা জেল-জুলুম ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। সে সময় যারা মাঠে ছিলেন না, তাদের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তার ভাষায়, ‘আমরা আওয়ামী লীগের সময় জেল-জুলুম, নিপীড়নের শিকার হয়েছি। আওয়ামী লীগের সময় তারা কোথায় ছিল, আজকে বড় বড় কথা বলছে। তাকে সবাই নষ্ট রাজনীতিবিদ হিসেবেই আখ্যায়িত করছে। এই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীই এনসিপির পতনের জন্য দায়ী থাকবে।’