
এর আগে ২০২৪ সালের স্থিতিসহ ব্যাংকে দলটির জমার পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৬৬ লাখ ৫৫ হাজার ১৬৪ টাকা। তার ভাষ্য, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় গত বছরে দলটির ব্যয় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হয়েছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দলের অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি। রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, দলীয় প্রতীকে অংশ নেওয়ার সুযোগ না থাকলেও দেশের রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণত স্থানীয় সরকার নির্বাচন থেকে দূরে থাকে না। এবার জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং দল তাদের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি তিনি সারাদেশে ভালো ফলাফলের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিচার দাবির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেছেন। দায়িত্বে থাকাকালে তিনি সংবিধানবিরোধী কোনো কাজ করেছেন কি না, সেটি আগে যাচাই করা প্রয়োজন। এমন কোনো প্রমাণ না থাকলে তার গ্রেপ্তারের দাবি তোলার কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেই বলেও জানান।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর জাতীয় পার্টিতে সৃষ্টি হওয়া বিভক্তির প্রসঙ্গ টেনে রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া দাবি করেন, দল ছেড়ে যাওয়া নেতাদের অধিকাংশই ইতোমধ্যে জিএম কাদেরের নেতৃত্বে ফিরে এসেছেন। তার মতে, এই বিভক্তির নেতিবাচক প্রভাব তৃণমূল পর্যায়ে পড়েনি। ভবিষ্যতে জাতীয় পার্টির দুই অংশ একীভূত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।