
১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে কিছুটা ধাক্কা খেলেও পরে তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা, আর শেষ পর্যন্ত সহজ জয় নিশ্চিত করে।
রান তাড়ার শুরুটা ছিল মিশ্র। সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকারের আক্রমণাত্মক শটের পর দ্রুতই দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। নিজের শততম ওয়ানডেতে ব্যর্থ হন লিটন দাসও। ১১ বলে ৭ রান করে ফেরেন তিনি।
তবে এরপরই জুটি গড়ে তোলেন তানজিদ ও শান্ত। তাদের ব্যাটে দ্রুতই ম্যাচের গতি বদলে যায় এবং পাওয়ার প্লেতেই স্কোরবোর্ডে আসে ৫০ রান। এরপর দুজনের ১০০ রানেরও বেশি জুটি ম্যাচকে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তামিমের আগ্রাসী এ শান্তর এঙ্করিং ভূমিকায় বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তি আগেই রচিত হয়।
তানজিদ হাসান খেলেন ঝোড়ো ইনিংস। ৩৩ বলে ফিফটি করে তিনি ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তবে বড় ইনিংসের দিকে যেতে পারেননি।
শান্তও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ইনিংস গুছিয়ে নেন এবং দলের ভিত মজবুত করেন। তবে ফিফটি করার পর ক্র্যাম্পের কারণে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
শেষ দিকে তাওহিদ হৃদয় ৩০ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন। তাকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।
৬ উইকেট ও প্রায় ১৫ ওভার হাতে রেখেই নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। এই জয়ের মধ্য দিয়েই সিরিজে সমতা ফেরাল ও নিজেদের আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ।