
পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দলের শিবির ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তদন্তের মুখে পড়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি কিংবা সম্ভাব্য শাস্তি সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম ‘আ বোলা’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৯ অক্টোবর ফেডারেশনের শৃঙ্খলা পরিষদ এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। গত বুধবারের ঘটনায় দলের শৃঙ্খলাবিধি ভঙ্গ হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে বিষয়টি শৃঙ্খলাবিষয়ক তদন্ত কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
একাদশে জায়গা না পাওয়ার অসন্তোষে ক্যাম্প ছাড়েন রোনালদো
নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে পুরো সময় বেঞ্চে কাটানোর পর ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের আগে জাতীয় দলের ক্যাম্প ত্যাগ করেন ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। কোচ হোর্হে জেসুস তাঁকে শুরুর একাদশে রাখবেন না বলে জানালে অসন্তোষ তৈরি হয়।
রোনালদোর ভাষ্য, নরওয়ের বিপক্ষে তাঁকে প্রায় ৩০ মিনিট খেলানোর বিষয়ে কোচের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল। সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি স্পষ্ট করার কথাও ছিল বলে দাবি করেন তিনি। তবে কোচ জেসুস এমন কোনো সমঝোতা হওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন।
জাতীয় দলের শিবির ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন রোনালদো। তিনি জানান, কোচের সংবাদ সম্মেলনের পর এবং পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসার সঙ্গে আলোচনা করেই ক্যাম্প ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তবে তাঁর এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শৃঙ্খলাবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় এখন ফেডারেশনের তদন্তের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে।
সতীর্থ ও সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ
ক্যাম্প ছাড়ার ঘটনার পর দেওয়া এক বিবৃতিতে সতীর্থ ও সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন রোনালদো। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সমর্থকদের অভিবাদন না জানানোর বিষয়েও অনুশোচনা প্রকাশ করেন তিনি।
এখন তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে, রোনালদোর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে ফেডারেশন কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।