
ফিফা সভাপতি পদে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর চতুর্থ ও শেষ মেয়াদে পুনর্নির্বাচনের পথে বড় সমর্থন পেলেন এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) কাছ থেকে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) টোকিওতে সংস্থাটির এক বৈঠকে ইনফান্তিনোর প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন ঘোষণা করেন এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল-খলিফা।
এর আগে গত আগস্টে ফিফার শীর্ষ প্রতিযোগিতাগুলো বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে ইনফান্তিনোর সমালোচনা করেছিল এএফসি। ওই সমালোচনায় উয়েফা ও কনকাক্যাফও যুক্ত ছিল। এ কারণে পুনর্নির্বাচনের দৌড়ে নামার আগে বিভিন্ন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সমর্থন হারান ইনফান্তিনো।
তবে অতীতের মতবিরোধ পেছনে ফেলে ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখার কথা জানিয়েছেন শেখ সালমান। তিনি বলেন, ফিফা সভাপতি হিসেবে নতুন মেয়াদের জন্য ইনফান্তিনোর লড়াইয়ে তার নেতৃত্বের প্রতি এএফসির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।
শেখ সালমান বলেন, ‘ফিফা সভাপতি হিসেবে আপনি নতুন মেয়াদের জন্য লড়ছেন, আর আপনাকে ও আপনার নেতৃত্বকে সমর্থনের ব্যাপারে আমাদের পূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি। আপনি এশিয়ার অনেক দেশ সফর করেছেন। এ মহাদেশের অনেক সদস্যের সঙ্গেই আমার কথা হয়েছে। আমি আপনার অনুভূতি জানি এবং আমার মনে হয় আপনার প্রতিশ্রুতির বিষয়ও পরিষ্কার। জিয়ান্নির প্রতি আপনাদের সমর্থন অত্যন্ত স্পষ্ট।’
এএফসির বিশেষ কংগ্রেসে অতীতের মতবিরোধ প্রসঙ্গে ইনফান্তিনোকে উদ্দেশ করে শেখ সালমান আরও বলেন, ‘জিয়ান্নি, হ্যাঁ, অতীতে আমাদের কিছু বিষয়ে কথা হয়েছিল। তবে দুটি বিষয়কে এক করে মেলানো ঠিক হবে না। আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে, আমরা যখন একসঙ্গে কাজ করি, তখনই ফুটবল সবচেয়ে শক্তিশালী হয়।’
বিশ্বকাপসহ ফিফার শীর্ষ প্রতিযোগিতাগুলোর আয়োজনের স্বত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা তীব্র সমালোচনার মুখে ব্যর্থ হওয়ার পর গত সপ্তাহে ক্ষমা চান ইনফান্তিনো। ২০১৬ সাল থেকে ফিফা সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এই সুইস নাগরিক।
আগামী মার্চে ফিফা সভাপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ওই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ইনফান্তিনো। প্রার্থিতা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ১৮ নভেম্বর।