
ইরানের হামলায় ধ্বংস হলো যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক বিমান।
মার্কিন বিমানবাহিনীর বিশেষ রাডারযুক্ত একটি বিমান ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা। তারা এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নালকে। এই ধরনের বিমান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ছিল মাত্র ১৬টি, যা আগাম সতর্কতা প্রদান এবং আকাশপথ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
গত শুক্রবার সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। ওই হামলায় এই বিশেষ বিমানটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ১২ জন সেনা আহত হন। পাশাপাশি কয়েকটি রিফুয়েলিং বিমানও ধ্বংস হয়ে যায়।
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া সাম্প্রতিক ফুটেজে দেখা গেছে, বোয়িং ই-৩ সেনট্রি মডেলের বিমানটি প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
আরবের কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একাধিক রিফুয়েলিং বিমানের পাশাপাশি এই গুরুত্বপূর্ণ নজরদারি বিমানটিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উন্নত রাডার প্রযুক্তি ব্যবহারকারী এই বিমান কয়েকশ কিলোমিটার দূর থেকে শত্রু যুদ্ধবিমান ও মিসাইল শনাক্ত করতে সক্ষম। এর মাধ্যমে আকাশ থেকেই সেনা কমান্ডারদের যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দেওয়া সম্ভব হয়।
ধ্বংসের আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এই মডেলের মাত্র ১৬টি বিমান ছিল, যেখানে কয়েক দশক আগে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৩০টি।
ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ই-৩ সেন্ট্রি বহরের বিমান সহজে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়। বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে হলে আনতে হবে ই-৭ ওয়েজটেইল বিমান, যার প্রতিটির মূল্য প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার।