
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজার জেলায় মোট ৫৯৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩২৯টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অবশিষ্ট ২৬৯টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে স্বাভাবিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি কক্সবাজার-২ আসনের কুতুবদিয়া এবং কক্সবাজার-৪ আসনের উখিয়া উপজেলায়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে মোট ১৮০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯৩টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। চকরিয়া উপজেলায় ১৩০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৩টি এবং পেকুয়া উপজেলায় ৪৭টির মধ্যে ২০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) আসনে ১২৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৯টি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে মহেশখালীতে ৮৬টির মধ্যে ২৭টি এবং কুতুবদিয়ায় ৩৮টির মধ্যে ৩২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।
কক্সবাজার-৩ (সদর, রামু ও ঈদগাঁও) আসনে মোট ১৮২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৯টি ঝুঁকিপূর্ণ। কক্সবাজার সদর উপজেলায় ৮২টির মধ্যে ৫০টি, রামুতে ৬৪টির মধ্যে ৩৫টি এবং ঈদগাঁওয়ে ৩৬টির মধ্যে ২৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনে ১১৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬৮টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উখিয়ায় ৫৬টির মধ্যে ৪০টি এবং টেকনাফে ৬১টির মধ্যে ২৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত।
সরকারি সূত্র জানায়, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং প্রার্থীদের তৎপরতা বিবেচনায় নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করা। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা, প্রিসাইডিং অফিসার এবং দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বডি অন ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্ভব।”