আগামী ২০২৭ সালের হজের জন্য সৌদি আরব এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হজ কোটা ঘোষণা করেনি। তবে গতবারের কোটা বরাদ্দের ভিত্তিতে এবার কোটা বণ্টনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটি।
আগামী ৮ নভেম্বর জেদ্দায় শুরু হতে যাওয়া ষষ্ঠ হজ ও উমরা সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে হজ চুক্তি এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কোটা বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।
‘আরব নিউজ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের হজে সর্বোচ্চ কোটা পাওয়া দেশগুলোর তালিকায় ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ভারত রয়েছে। সর্বোচ্চ কোটা পাওয়া ১০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে পঞ্চম স্থানে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বোচ্চ কোটা পাওয়া ১০টি দেশ হলো—
ইন্দোনেশিয়া: ২ লাখ ২১ হাজার
পাকিস্তান: ১ লাখ ৭৯ হাজার ২১০
ভারত: ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৫
ইরান: ৮৭ হাজার ৫৫০
বাংলাদেশ: ৭৮ হাজার ৫০০
নাইজেরিয়া: ৫০ হাজার
ইথিওপিয়া: ৪৩ হাজার
আলজেরিয়া: ৪১ হাজার ৩০০
তুরস্ক: ৩৭ হাজার ৭৭০
মিসর: ৩৫ হাজার ৩৭৫
তবে প্রতিবছর সৌদি আরব ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হজ কোটা নির্ধারণ করা হয়। সৌদি আরবের হজ ও উমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ কোটা নির্ধারণ করে।
কোটা নির্ধারণে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সংস্থাটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো দেশের প্রতি ১০ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে ১ হাজার মানুষ হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন দেশ সৌদি আরবের কাছে তাদের বরাদ্দ করা কোটা বাড়ানোর আবেদন করে আসছে। আবার কোনো কোনো দেশ নির্ধারিত কোটা পূরণ করতে না পারায় তাদের বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।