
খাগড়াছড়িতে জলাবদ্ধতা ও প্লাবিত এলাকার পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। চেঙ্গী নদী ও আশপাশের ছড়া খালের পানি নেমে যাওয়ায় জেলা সদরের সবক'টি নিচু এলাকার পর অবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে।
দীঘিনালায় উপজেলা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। মাইনী নদীর পানি কমায় কবাখালী, বাবুছড়ার নিচু এলাকা, ঘরবাড়ি ও সড়ক থেকে পানি নেমে গেছে। যান চলাচল শুরু হয়েছে।
তবে উপজেলার সবচেয়ে নিচু এলাকা ছোট মেরুং ইউনিয়নে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি বন্যা কবলিত হয়েছে কয়েক হাজার পরিবার। সেখানে সড়ক, ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে আছে।
মাটিরাঙ্গায় প্লাবিত নিম্নাঞ্চলের পানি সরে গিয়ে পরিন্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
উপজেলার ধলিয়া খাল ,গোমতি ও সীমান্তবর্তী ফেনী নদীর পানি প্রবাহ বিপদ সীমার নিচে রয়েছে।
সাজেকে আটকে পড়া দ্বিতীয় দফায় আরও ৩১১ পর্যটককে নিরাপদে ফিরিয়ে আনছে সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন। সকাল ৯ টায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির দিকে রওনা করেছে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা স্কট'টি।
এছাড়া কয়েক ঘন্টার বিরতির পর রাত থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত খাগড়াছড়িতে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন,রাতে বৃষ্টিপাত কম থাকায় দুর্যোগ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বৃষ্টি বন্ধ হলে ২/১ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জেলা জুড়ে খোলা ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা ও রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।