
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবউদ্দিন। তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম ও উন্নয়নমুখী চিন্তাধারা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
শনিবার (৩০ মে) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ইতিহাসে জিয়াউর রহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তিনি দেশ ও জাতির স্বার্থে অবদান রেখে গেছেন এবং তাঁর জীবনাদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশগঠনের প্রেরণা জোগাবে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান, যা মুক্তিযুদ্ধে জনগণকে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করে। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন।
বাণীতে বলা হয়, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নেন। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ, আত্মনির্ভরতা অর্জন এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমানের ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি উৎপাদনমুখী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা ছিল। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে তিনি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেন এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বল্প সময় রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলেও জিয়াউর রহমান গভীর দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ, ন্যায়পরায়ণতা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে কাজ করেছেন। তাঁর অবদান আজও দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে।