
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম অভিযোগ করে বলেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিন লক্ষ্মীপুরের চারটি সংসদীয় আসনে ভোট গ্রহণের সময় প্রশাসনের কিছু কিছু লোক অতিউৎসাহী হয়ে একটি দলের পক্ষে দলীয় কর্মীর ভূমিকা পালন করেছে।
তারা দাঁড়িপাল্লার কর্মীদের কেন্দ্র প্রবেশে বাঁধা ও দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে যাওয়া নারীদের ধানের শীষ হয়ে গেছে বলে ধানের শীষে ভোট দিতে বাদ্য করাসহ নানা বিধ হয়রানি করার অভিযোগ করেন কেন্দ্র দায়িত্বে থাকা কিছু পুলিশ, প্রিজাইডিং-পুলিং ও আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে লক্ষ্মীপুর-২ ও ৩ সংসদীয় আসনে নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম, সহিংসতা ও পরবর্তী পরিস্থিতি বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলেন তিনি।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন রাত থেকেই দাঁড়িপাল্লার কর্মী সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও তাদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটছে যা অত্যান্ত দুঃখ জনক। তিনি এইসকল ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তিনি আরও বলেন, জামায়াত ইসলামীর ভোটের হিসাব করলে বুঝতে পারবেন, জনগণ সন্ত্রাস ও কালো টাকার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়েছে। এটি মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। মানুষ কাকে ভোট দিবে সেটি তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। তাই বলে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার কারণে যারা আমাদের কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা করছেন, তারা অন্যায় করছেন।
রেজাউল করিম বলেন, একটি দল না ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে ছিল। আর আমরা হ্যাঁ ভোটের প্রচারণা চালিয়ে চিলাম। যারা সরকার ঘটন করছে তারা এক হিসেবে পরাজিত হয়েছে। আরা আমরা বিজয়ী হয়েছি।
তিনি নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়ম, সহিংসতা ও নির্বাচন পরবর্তী তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথাও জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা নাছির উদ্দীন মাহমুদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি মমিন উল্ল্যাহ পাটোয়ারী, শহর জামায়াতের আমির এডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান প্রমুখ।