
বরিশাল বিভাগের নদ-নদীগুলোতে পানি বাড়ছে। বিভিন্ন নদীর পানি জোয়ারের সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করছে।
আবার ভাটার সময় নেমে যাচ্ছে।
পানি বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৬টার দিকে ভোলার দৌলতখানের মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৮৯ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার, ভোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন তেতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
এ ছাড়া বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার, ঝালকাঠিতে বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার, বরগুনার বেতাগীতে বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২৪ সেন্টিমিটার, বরগুনায় বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটার বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের বুড়িশ্বর/পায়রা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার, পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ও উমেদপুরে কচা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।