
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় এবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) এক সহকারী পরিচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার সোহাগ ফকিরকে মঙ্গলবার রাতে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার দুর্গাবর্দী এলাকা থেকে আটক করা হয়।
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানায়, নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে সোহাগ ফকিরের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সরকারি কর্মচারীসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর আগে চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছিল স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৩)।
গ্রেপ্তার অন্য ব্যক্তিরা হলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন আয়কর বিভাগের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও অফিস সহায়ক মো. নুর মোহাম্মদ, রংপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর মো. রুবেল ইসলাম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আসাদুল ইসলাম এবং চক্রের সদস্য মো. মফিজুল ইসলাম, মো. হাসিনুর রহমান ওরফে সুজন ও এসএম এমদাদুল রহমান।
এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলম ও নুর মোহাম্মদকে পৃথক অফিস আদেশে সাময়িক বরখাস্ত করেছে এনবিআর।
তদন্তসংশ্লিষ্টদের জব্দ তালিকায় রয়েছে ১০০ টাকা মূল্যমানের ১১৬টি স্ট্যাম্প, ৫০ টাকা মূল্যমানের চারটি স্ট্যাম্প, এক সেট প্রশ্নপত্র, বিভিন্ন পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও সনদপত্র, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক, আটটি মুঠোফোন, ছয়টি জাতীয় পরিচয়পত্র এবং নগদ চার হাজার টাকা।