
ভোটগ্রহণের দিন সকালেই আশঙ্কা আর অভিযোগের সুর শোনা গেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার কণ্ঠে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করলেও কয়েকটি কেন্দ্রে অনিয়মের শঙ্কার কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় নিজ এলাকায় ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রুমিন ফারহানা। তিনি জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের অন্তর্ভুক্ত আশুগঞ্জের ৮টি কেন্দ্রকে তিনি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মনে করছেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, "সেখানে দুপুরে তারা সিল মারার পায়তারা করছে বলে আমার কাছে খবর এসেছে। আমি সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ডিসি সবার কাছে আমি এই কেন্দ্রগুলোর নামগুলো পাঠিয়ে দিয়েছি। দেখা যাক কি হয়।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আগের রাতে তার এক কর্মী কেন্দ্র পাহারায় ছিলেন। এ সময় নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তার দুই কর্মীকে বিনা কারণে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান রুমিন।
তিনি বলেন, "রাতে আমার একজন কর্মী পাহারায় ছিল। তাদের দুইজনকে বিনা কারণে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, আমার নোয়াগাও ইউনিয়নের। ডিসি মহোদয়ের সাথে কথা বললাম। আমার মনে হয়েছে ওনাকে ভুল বুঝানো হয়েছে। সে এখন থানায় আছে। বিভিন্ন যায়গায় তারা সিল মারার চেষ্টা করছে, বিশেষ করে আশুগঞ্জ।"
এবারের নির্বাচনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এই নেত্রী ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনে জয়ী হলে এবং পরবর্তীতে বিএনপি তার সমর্থন চাইলে তিনি কী করবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, "দেখা যাক, আমি জিতি আগে।"