
নিহত আদিব ধরমপুর গ্রামের রানার ছেলে। রানা পেশায় ফার্মেসি ব্যবসায়ী। এ ছাড়া, নিহত আদিব স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
শিশুটির পরিবার জানায়, রোববার রাতে তারাবির নামাজের পর থেকে আদিবকে খুঁজে পাচ্ছিলো না তারা। সোমবার সকালে এলাকাবাসী ও স্বজনরা তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। এরপর কর্ণহার থানা-পুলিশ আদিবের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালে পাঠায়।
পুলিশের ধারণা, শিশুটির প্যান্টের বেল্ট তার গলায় পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে কর্ণহার থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।