.jpg)
৪৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এখন কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যায়ে। শিরোপার লড়াইয়ে টিকে থাকা শেষ আট দলের অন্তত ১৮ ফুটবলার রয়েছেন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে। কোয়ার্টার ফাইনালে আরেকটি হলুদ কার্ড দেখলেই, তাদের দল সেমিফাইনালে উঠলেও সেই ম্যাচে খেলতে পারবেন না তারা।
ঝুঁকিতে থাকা ফুটবলারদের তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, স্পেন, মরক্কো, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম ও নরওয়ের খেলোয়াড়রা। সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে ইংল্যান্ড ও মরক্কো। দুই দলেরই চারজন করে ফুটবলার ইতোমধ্যে নকআউট পর্বে একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন।
ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের তিনজন করে খেলোয়াড়ও একই ঝুঁকিতে আছেন। এছাড়া আর্জেন্টিনা, স্পেন, বেলজিয়াম ও নরওয়ের একজন করে খেলোয়াড় সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে হলুদ কার্ডের নিয়মে পরিবর্তন এনেছে ফিফা। গ্রুপ পর্বে পাওয়া সব হলুদ কার্ড নকআউট পর্ব শুরুর আগে বাতিল (রিসেট) করা হয়েছে। এরপর নকআউট পর্বে পাওয়া হলুদ কার্ডের হিসাব কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে আবারও রিসেট হবে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ভিন্ন দুটি ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হতে হবে। ফলে শেষ ৩২ বা শেষ ষোলোর ম্যাচে যারা একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছেন, তারা কোয়ার্টার ফাইনালে আবার হলুদ কার্ড দেখলে সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না।
তবে কোয়ার্টার ফাইনালের পর হলুদ কার্ডের হিসাব নতুন করে শুরু হওয়ায় শুধুমাত্র হলুদ কার্ডের কারণে কোনো খেলোয়াড় ফাইনাল মিস করবেন না। তবে সেমিফাইনালে লাল কার্ড দেখলে তিনি ফাইনালে খেলতে পারবেন না। এছাড়া সহিংস আচরণের ঘটনায় প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি।
নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা ১৮ ফুটবলার:
ইংল্যান্ড: জুড বেলিংহ্যাম, নিকো ও’রাইলি, ডেক্লান রাইস, মার্ক গেহি
মরক্কো: ইসা দিয়োপ, আশরাফ হাকিমি, রেদোয়ান হালহাল, বিলাল এল খানুস
ফ্রান্স: মানু কোনো, মাইকেল ওলিসে, ব্র্যাডলি বারকোলা
সুইজারল্যান্ড: গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া, মিরো মুহাইম
আর্জেন্টিনা: গঞ্জালো মন্টিয়েল
স্পেন: ফেররান তোরেস
বেলজিয়াম: ব্র্যান্ডন মেচেলে
নরওয়ে: আন্তোনিও নুসা
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল ৯ থেকে ১২ জুলাই, সেমিফাইনাল ১৪ ও ১৫ জুলাই, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ১৮ জুলাই এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই।