
হাইটেক পার্কে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশি পরামর্শক, কারিগরি সহায়তা ও রয়্যালটিসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সেবার বিপরীতে ফি পরিশোধের জন্য এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের আলাদা অনুমোদন নিতে হবে না।
বৃহস্পতিবার জারি করা এক সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আগাম অনুমোদন নিয়ে তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদিত ডিলার (এডি) শাখার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করে এসব দায় পরিশোধ করতে পারবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।
বর্তমান নিয়মে এ ধরনের বৈদেশিক দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এখন শুধু হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিলেই প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করা যাবে।
তবে এ সুবিধা সব প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে না। যেসব হাইটেক পার্কভুক্ত প্রতিষ্ঠানের বৈদেশিক মুদ্রায় কোনো আয় নেই, তারাই নতুন এই সুবিধা নিতে পারবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
পরামর্শক, কারিগরি সেবা ও রয়্যালটিসহ প্রযুক্তিগত সহায়তার বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাও বহাল রাখা হয়েছে।
নতুন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা হবে এক বছরের আমদানি ব্যয়ের ৬ শতাংশের সমপরিমাণ। আর পুরোনো বা চলমান প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সীমাটি হবে আগের বছরের বিক্রয়মূল্যের ৬ শতাংশের সমপরিমাণ। এ বিক্রয়মূল্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত হতে হবে।
নতুন ব্যবস্থার ফলে হাইটেক পার্কের যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিদেশি প্রযুক্তিগত সেবা ও পরামর্শক ফি পরিশোধের প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ হবে।