
পুলিশের এক উপমহাপরিদর্শককে (ডিআইজি) ফোন ও বার্তা পাঠিয়েও সাত দিন ধরে কোনো সাড়া না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মোবাশ্বের ভূঁইয়া। এ নিয়ে তার দেওয়া ফেসবুক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রোববার নিজের ফেসবুক পোস্টে কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনের বিএনপির এই সংসদ সদস্য লেখেন, “চট্টগ্রামের ডিআইজি মহোদয়কে আমার নিজের মোবাইল নম্বর থেকে মেসেজ দিয়েছি, এমনকি কল করেছি; সাত দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও তিনি উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।”
তিনি আরও লেখেন, “আমি জনগণের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে নিজেকে অনেক ছোট হতে হয়। তারপরও এলাকার উন্নয়নের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। কারণ জনগণ ভোট দিয়ে আমাকে সংসদে পাঠিয়েছে।”
পরে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে মোবাশ্বের ভূঁইয়া জানান, তিনি ফায়ার সার্ভিস-সংক্রান্ত একটি বিষয়ে কথা বলতে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। ওই কর্মকর্তা তাকে জানান, তার নির্বাচনি এলাকার কিছু ‘সিনিয়র অফিসারের’ কথাও শুনতে হয়।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি জানতে চেয়েছিলাম, সেই কর্মকর্তা কি একজন এমপির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ?”
সংসদ সদস্যের দাবি, তার এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এখনো আওয়ামী লীগ আমলের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন।
ডিআইজির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঢাকায় সাক্ষাতের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সহযোগিতা চেয়েছিলেন। পরে ফোন ও বার্তা পাঠালেও সাত দিনেও কোনো জবাব পাননি।
তিনি বলেন, “আমি ভাবছি, একজন এমপি যদি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, তাহলে সাধারণ মানুষ সহযোগিতা চাইলে কী হবে।”
তবে শেষ পর্যন্ত তিনি মন্তব্য করেন, ডিআইজি হয়তো ব্যস্ত ছিলেন এবং সুযোগ পেলে পরে যোগাযোগ করতে পারেন।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. মনিরুজ্জামানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।