
নারায়ণগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের কাছ থেকে পিস্তল ছিনতাই হওয়ায় তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও দুই ছিনতাইকারী এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।
প্রত্যাহার হওয়া এএসআই লুৎফর রহমান, যিনি শীতলক্ষ্যা পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন), গণমাধ্যমকে বলেন, “দায়িত্ব পালনের সময় অস্ত্র হারানোর ঘটনায় এএসআইকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বাকি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলমান রয়েছে।”
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ছিনতাইকারীর নাম মো. মিশাল ওরফে বিশাল, বয়স ৩০। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ছিনতাই হওয়া পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন এবং ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার ভোরে নিতাইগঞ্জ এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে মোটরসাইকেলে আসা তিন ছিনতাইকারী এএসআই লুৎফর রহমানের ওপর হামলা চালায়। তারা তার ব্যবহৃত গুলিভর্তি পিস্তল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে পুলিশ ও গোয়েন্দা দলের একাধিক সদস্য অভিযান চালিয়ে ওই দিন সন্ধ্যায় মিশালকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার দিবাগত রাত প্রায় পৌনে তিনটায় তার নির্দেশ অনুযায়ী বন্দর উপজেলার উইলসন রোড এলাকার শরিফ উদ্দিনের বাড়ির সামনে একটি পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বস্তা থেকে কাপড়ে মোড়ানো শপিং ব্যাগের মধ্যে ছিনতাই হওয়া পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে আরও একটি চাপাতি, একটি ছোরা এবং একটি বড় চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সোমবার রাতেই এএসআই লুৎফর রহমান নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দস্যুতার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।